শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশকে আর কোন আধিপত্য শক্তির আওতায় আসতে দিবে না জনগণ- মাদারীপুরে এনসিপি’র আহবায়ক নাহিদ ইসলাম মাদারীপুরে বিচারকের বাসভবনের সামনে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণ মাদক সমাজ ও রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ অন্ধকার করে দিচ্ছে: সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়া মাদারীপুরে মাদক বিক্রির টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বে সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ৪ গোপালগঞ্জে ৩ কর্মকর্তা- কর্মচারীর সিন্ডিকেটে জিম্মি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস: সীমাহীন ভোগান্তি সারাবিশ্বের ৭০ ভাগ ইলিশ বাংলাদেশ উৎপাদন করে, দেশের সম্পদ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞায় মা ইলিশ ধরা যাবে না- মৎস ও প্রাণী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী মাদারীপুরে জমি নিয়ে বিরোধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে সৌদি ফেরত প্রবাসীর ঘরে আগুন দিলো প্রতিপক্ষ চীনের অর্থায়নে ৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে আড়িয়াল খঁ নদে নির্মিত হচ্ছে সেতু গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ৩ গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে আহত ১৫ মাদারীপুরের কালকিনিতে শিশু ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্তের বসতবাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

চাহিদার অর্ধেক বিদ্যুৎ মিলছে মাদারীপুরে, ঘন ঘন লোডশেডিং-এ অতিষ্ঠ মাদারীপুরবাসী

টেকেরহাট নিউজ ডেস্ক
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬
  • ১০৯ Time View

চাহিদা তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় ঘন ঘন লোডশেডিং-এ অতিষ্ঠ মাদারীপুরবাসী। দিনরাত মিলিয়ে ১০-১২ ঘন্টা বিদ্যুৎ না থাকায় বেড়েছে চরম ভোগান্তি।

জানা যায়, মাদারীপুরের শহর থেকে গ্রাম সবখানেই হরহামাশা যাওয়া আসা করছে বিদ্যুৎ।  সবচে’ দুর্ভোগ আর কষ্ট বেড়েছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গ্রাহকরা। পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ না থাকায় কারখানার উৎপাদন নেমে গেছে অর্ধেকে। চলছে না ছাপাখানার চাকা। ঘুরছে না ফ্যান। অলস সময় কাটাচ্ছেন শ্রমিক-কর্মচারীরা। এতে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। আর সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যহত হচ্ছে। প্রচন্ড গরমে দুর্বিসহ কষ্ট হলেও প্রতিকার না হওয়ায় ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা। কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে জানা নেই বিদ্যুৎ বিভাগের।

বিদ্যুৎ বিভাগ অফিস সূত্র জানিয়েছে, ওয়েষ্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড-এর (ওজোপাডিকো) প্রায় ৪০ হাজার গ্রাহকের ১৭ মেগাওয়াটের বিদ্যুতের চাহিদার বিপরীতে পাওয়া যাচ্ছে ১১ মেগাওয়াট। অপরদিকে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ৪ লাখ ২৩ হাজার গ্রাহকের ১০৬ মেগাওয়াটের বিদ্যুতের চাহিদার বিপরীতে পাওয়া যাচ্ছে ৫২ মেগাওয়াট। ১৪টি সাবস্টেশনের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ এলাকা বিবেচনা করে লোডশেডিং ভাগ করছে কর্তৃপক্ষ।

রংয়ের ছোঁয়া প্রেসের মালিক রুবেল মাতুব্বর বলেন, ‘বিদ্যুৎ না থাকায় প্রেসের কোন কাজই করতে পারছি না। কাস্টমার এতে বিরক্ত হচ্ছে। আর্থিকভাবে আমরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি।’
রড সিমেন্ট বিক্রেতা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘দিন ও রাতে সমান তালে বিদ্যুৎ যাচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিতে হবে।’

মাদারীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডেপুটি জেনারেল মেনাজোর (ডিজিএম, কারিগরি) অসিত সাহা বলেন, ‘চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ কম পাওয়া যাচ্ছে। ফলে সরবরাহও কম হচ্ছে।’

ওয়েষ্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড-এর (ওজোপাডিকো) মাদারীপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বলেন, ‘দিনরাত মিলিয়ে চাহিদার তুলনায় ৬ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎ কম পাওয়া যাচ্ছে। ফলে এলাকাভিত্তিক লোডশেডিং হচ্ছে।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category