মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চাহিদার অর্ধেক বিদ্যুৎ মিলছে মাদারীপুরে, ঘন ঘন লোডশেডিং-এ অতিষ্ঠ মাদারীপুরবাসী মুকসুদপুরে এসএসসিতে অকৃতকার্য হয়ে শিক্ষার্থীর আত্নহত্যা ইতালি যাওয়ার পথে লিবিয়ায় বন্দি মাদারীপুরের  যুবক, দেড় বছর ধরে নেই খোঁজ!  লিবিয়ায় মাফিয়ার নির্যাতনে মাদারীপুরের যুবকের মৃত্যু লিবিয়ায় বন্দির পরে নিখোঁজ মাদারীপুরের তিন যুবকের সন্ধান চেয়ে সংবাদ সম্মেলন মাদারীপুরে ফার্নিচার দোকানের কেমিক্যাল ড্রাম বিস্ফোরনে শিশু শ্রমিকের মৃত্যু, আহত এক মাদারীপুরে জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্থদের সঙ্গে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা ও ইতালি দূতাবাসের মতবিনিময় মাদারীপুরে মাদ্রাসার শিক্ষকতা ছেড়ে মানবপাচার ব্যবসা, দুই বছরের আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ মুকসুদপুরে ৭০০ শিক্ষার্থীর মাঝে ছাতা বিতরণ করলেন ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী আল আমীন বিশ্বাস

চাহিদার অর্ধেক বিদ্যুৎ মিলছে মাদারীপুরে, ঘন ঘন লোডশেডিং-এ অতিষ্ঠ মাদারীপুরবাসী

টেকেরহাট নিউজ ডেস্ক
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৬ Time View

চাহিদা তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় ঘন ঘন লোডশেডিং-এ অতিষ্ঠ মাদারীপুরবাসী। দিনরাত মিলিয়ে ১০-১২ ঘন্টা বিদ্যুৎ না থাকায় বেড়েছে চরম ভোগান্তি।

জানা যায়, মাদারীপুরের শহর থেকে গ্রাম সবখানেই হরহামাশা যাওয়া আসা করছে বিদ্যুৎ।  সবচে’ দুর্ভোগ আর কষ্ট বেড়েছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গ্রাহকরা। পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ না থাকায় কারখানার উৎপাদন নেমে গেছে অর্ধেকে। চলছে না ছাপাখানার চাকা। ঘুরছে না ফ্যান। অলস সময় কাটাচ্ছেন শ্রমিক-কর্মচারীরা। এতে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। আর সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যহত হচ্ছে। প্রচন্ড গরমে দুর্বিসহ কষ্ট হলেও প্রতিকার না হওয়ায় ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা। কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে জানা নেই বিদ্যুৎ বিভাগের।

বিদ্যুৎ বিভাগ অফিস সূত্র জানিয়েছে, ওয়েষ্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড-এর (ওজোপাডিকো) প্রায় ৪০ হাজার গ্রাহকের ১৭ মেগাওয়াটের বিদ্যুতের চাহিদার বিপরীতে পাওয়া যাচ্ছে ১১ মেগাওয়াট। অপরদিকে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ৪ লাখ ২৩ হাজার গ্রাহকের ১০৬ মেগাওয়াটের বিদ্যুতের চাহিদার বিপরীতে পাওয়া যাচ্ছে ৫২ মেগাওয়াট। ১৪টি সাবস্টেশনের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ এলাকা বিবেচনা করে লোডশেডিং ভাগ করছে কর্তৃপক্ষ।

রংয়ের ছোঁয়া প্রেসের মালিক রুবেল মাতুব্বর বলেন, ‘বিদ্যুৎ না থাকায় প্রেসের কোন কাজই করতে পারছি না। কাস্টমার এতে বিরক্ত হচ্ছে। আর্থিকভাবে আমরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি।’
রড সিমেন্ট বিক্রেতা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘দিন ও রাতে সমান তালে বিদ্যুৎ যাচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিতে হবে।’

মাদারীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডেপুটি জেনারেল মেনাজোর (ডিজিএম, কারিগরি) অসিত সাহা বলেন, ‘চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ কম পাওয়া যাচ্ছে। ফলে সরবরাহও কম হচ্ছে।’

ওয়েষ্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড-এর (ওজোপাডিকো) মাদারীপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বলেন, ‘দিনরাত মিলিয়ে চাহিদার তুলনায় ৬ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎ কম পাওয়া যাচ্ছে। ফলে এলাকাভিত্তিক লোডশেডিং হচ্ছে।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category