মাদারীপুরের রাজৈরে পুকুরে পশুর চামড়ার বর্জ্য ফেলে ১০ লক্ষাধিক টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে এক চামড়া ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। বর্জের দুর্গন্ধ আশপাশে ছড়িয়ে পড়ায় ভোগান্তিতে এলাকাবাসী।

জানা যায়, রাজৈর উপজেলার স্লুইটগেট এলাকায় সরকারি পুকুরে ভাড়া নিয়ে দুই বছর ধরে মাছ চাষ করে আসছেন মৎস্য চাষি নুর ইসলাম শেখ। গত বৃহস্পতিবার থেকে ক্রয়কৃত কোরবানির পশুর চামড়া এই পুকুরের পাশের একটি দোকানঘরে সংরক্ষণ করেন স্থানীয় চামড়া ব্যবসায়ী হারুণ ফকির। পরে পুকুরে ফেলা হয় চামড় থেকে ছাটাই করা লবনাক্ত বর্জ্য। এতে পানি দূষিত হলে শনিবার সকালে একে একে ভেসে উঠতে শুরু করে পুকুরে থাকা রুই, কাতল, তেলাপিয়া, শিংসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। মারা যায় পুকুরে থাকায় প্রায় ১০ লাখ টাকার মাছ। বিষয়টি জানতে পেরে ছুটে আসেন মৎস্য চাষী নুর ইসলাম শেখ। ক্ষতিপূরণসহ চামড়া ব্যবসায়ীর বিচার দাবি করেন তিনি। এদিকে নিজের দোষ স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত চামড়া ব্যবসায়ী। অন্যদিকে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ আমিনুল ইসলাম।
নুর ক্ষতিগ্রস্থ মৎস্য চাষি নুর ইসলাম বলেন, ‘আমার প্রায় ১০ লাখ টাকার মাছ মারা গেছে। আমি ব্যাংক ঋণ নিয়ে মাছ চাষবাদ করেছি। এই ক্ষতি আমি কি করে কাটিয়ে উঠবো। আমি এই ঘটনার বিচার চাই।’
অভিযুক্ত চামড়া ব্যবসায়ী হারুণ ফকির বলেন, ‘আমি যে ক্ষতি করেছি, মৎসচাষির চাওয়ার ভিক্তিতে তা পুষিয়ে দিবো।’
মাদারীপুরের রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। মাছ মেরে ফেলা এটি ফৌজদারি অপরাধ। কোন অবস্থাতেই অপরাধীকে ছাড় দেয়া হবে না।
Leave a Reply