সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাজৈরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ। আহত ১০জন মাদারীপুরে পরিত্যক্ত ঘরে হাতবোমা বিস্ফোরণ, ঘর বিব্ধস্ত, তদন্তে পুলিশ রাজৈরে পানিতে পড়ে ৫ বছর বয়সী দুই জমজ বোনের মৃত্যু  মাদারীপুরে হাসপাতালের ভেতর যুবককে কুপিয়ে জখম, অভিযুক্ত আটক মাদারীপুরের শিবচরে নারীকে ধর্ষণের পর হত্যা, এক বছরের শিশুকে ফেলা দেয়া হয় নদীতে, প্রধান আসামি গ্রেফতার  রাজৈরে পুরুষদের বিরুদ্ধে এক নারীর একাধিক মিথ্যা মামলা, অতিষ্ঠ হয়ে ৩ পরিবার ভারতে, সঠিক তদন্তের মাধ্যমে হয়রানি বন্ধের দাবি এলাকাবাসীর মহিলা কলেজের অফিস সহকারী ইয়াবাসেবনকালে গণধোলাইয়ের শিকার, ভিডিও ভাইরাল গোপালগঞ্জে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীসহ নিহত ৩, আহত ২০ মুকসুদপুরে কুমার নদীতে নিখোঁজ ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার মাদারীপুরের শিবচরে পানিতে ডুবে দুই কিশোরীর মৃত্যু, আহত এক

মাদারীপুরে থানার গ্রিল ভেঙ্গে পালিয়েছে আটক নারী আসামি, দায়িত্বরত এসআই ও কনস্টেবল প্রত্যাহার, তদন্ত কমিটি গঠন

টেকেরহাট নিউজ ডেস্ক
  • Update Time : শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬
  • ১৫০ Time View

মাদারীপুর সদর মডেল থানার বারান্দার গ্রিল ভেঙ্গে আটক এক নারী আসামি পালিয়ে গেছে। এ ঘটনায় দায়িত্ব অবহেলায় এক উপপরিদর্শক ও এক কনস্টেবলকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মাদারীপুরের পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান। এর আগে বৃহস্পতিবার রাত দেড়টার দিকে সদর মডেল থানার অস্থায়ী ভবনের ভেতর এ ঘটনা ঘটে।
পালিয়ে যাওয়া ওই নারীর নাম হাসিনা বেগম (৩৫) মাদারীপুর পৌরসভাধীন থানতলী এলাকার হবি হাওলাদারের মেয়ে ও সদর উপজেলার ঝাউদি ইউনিয়নের কালাইমারা এলাকার আল-আমিনের স্ত্রী।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে অসামাজিক কর্মকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে হাসিনা বেগমকে আটক করে সদর মডেল থানাধীন ইটেরপুল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মোকসেদুর রহমান। পরে তাকে মাদারীপুর সদর মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। মূল ভবনটি নির্মাণাধীন থাকায় অস্থায়ীভাবে ওসির বাসভবনের নিচতলায় থানার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সেখানে আসামিদের জন্য কোন হাজতখানা না থাকায় বারান্দার একটি কক্ষে পুলিশি হেফাজতে হাসিনাকে রাখা হয়। রাত দেড়টার দিকে সুযোগ বুঝে হাসিনা ওই কক্ষের গ্রিল ভেঙ্গে পালিয়ে যায়। পুলিশ হেফাজত থেকে আসামি পালানোর ঘটনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ডিউটি অফিসার) রমজান আলী সজল ও এক কনস্টেবলকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়। এদিকে আসামি পালানোর ঘটনায় শুক্রবার দুপুরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সর্কেল) ফারিহা রফিক ভাবনাকে প্রধান করে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে এ ঘটনার পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে পুলিশ সুপারের পক্ষ থেকে।
মাদারীপুরের পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, ‘আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তিন সদস্যের কমিটি করা হয়েছে। দায়িত্ব অবহেলার কোন ঘটনা থাকলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এরইমধ্যে ডিউটি অফিসার ও সেন্টিকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া পালিয়ে যাওয়া আসামিকে ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category