সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাদারীপুরে প্রবেশপত্র না আসায় ২০ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষা দেয়া অনিশ্চিত মাদারীপুরে অবৈধভাবে মজুদ করা ৩৭ হাজার লিটার ভোজ্যতেল জব্দ, ব্যবসায়ীকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা মাদারীপুরে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতাল ভাংচুর  আমি কাজে বিশ্বাসী কোন কথায় বিশ্বাসী না  । সেলিমুজ্জামান সেলিম (এমপি) মুকসুদপুরে বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে বৈশাখী শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মাদারীপুরের শিবচরে মানবপাচার মামলায় পুত্রবধু ও শ্বশুর গ্রেফতার মাদারীপুরে গ্যাস সিলিন্ডারের গোডাউনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জরিমানা আদায় মাদারীপুরে টিফিনের খাবার খেয়ে ২০ শিক্ষার্থী অসুস্থ: তদন্ত কমিটি গঠন, ৩ কার্য দিব‌সে প্রতি‌বেদন  মাদারীপুরে লিফটে আটকে থাকা শিশুসহ ৮ জনকে দেড়ঘন্টা পর উদ্ধার চাঁদাবাজদের ধরতে অফিসের গেটে তালা মেরে  মাদারীপুর রেজিস্ট্রার অফিসে সংসদ সদস্যর অভিযান

মাদারীপুরে প্রবেশপত্র না আসায় ২০ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষা দেয়া অনিশ্চিত

টেকেরহাট নিউজ ডেস্ক
  • Update Time : সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৭ Time View

মাদারীপুরে ফরম পূরনের প্রায় ৩ লাখ টাকা নিয়ে উধাও খন্ডকালীন সহকারী শিক্ষক ও এক অফিস সহকারী। ফলে আসেনি ২০ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র। এতে পরীক্ষা দেয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। সোমবার সকালে ঘটনার প্রতিবাদে বিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চেয়ার জ¦ালিয়ে বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।


জানা যায়, মাদারীপুর সদর উপজেলার মোস্তফাপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে মূল্যায়ন পরীক্ষায় দুই বিষয়ে ফেল করে ২০ শিক্ষার্থী। তাদেরকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহনের আশ^াস দিয়ে বিদ্যালয়ের খন্ডকালীন সহকারী শিক্ষক সোহেল মোড়ল ও অফিস সহায়ক নুর আলম লিটন জনপ্রতি ১৫ হাজার টাকা করে নেয়। কিন্তু ফরম পূরনের জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেয়া ৩ লাখ টাকা ব্যাংকে জমা দেয়নি সহকারী শিক্ষক কিংবা অফিস সহায়ক। ফলে আসেনি ওই ২০ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র। বিষয়টি জানতে পেরে সোমবার সকালে বিদ্যালয় মাঠে জড়ো হয় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। অভিযুক্তদের বিচার দাবীতে শুরু হয় আন্দোলন। খবর পয়ে ঘটনাস্থলে এসে প্রায় আড়াই ঘন্টা পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন উপজেলা প্রশাসন।
আবৃত্তি শিকদার নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমার কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা নিয়েছে সোহেল স্যার। আমি প্রস্তুতি নিয়েছিলাম পরীক্ষা দেয়ার। কিন্তু প্রবেশপত্র আসেনি। একবছর পিছিয়ে গেলাম। এই ঘটনার আমি বিচার চাই।’
আয়েশা আক্তারের বাবা সুমন খান বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলে তাদের কঠিন বিচার হওয়া উচিৎ। এই ঘটনায় প্রধান শিক্ষক ও সহকারি শিক্ষক দায় নিতে চায় না। তারাও জড়িত থাকতে পারে। আমরা সবাই সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক বিচার চাই।’
বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান খান বলেন, ‘ঘটনার পর মোবাইল ফোন বন্ধ করে লাপাত্তা অভিযুক্ত শিক্ষক ও অফিস সহকারী। তাদের দোষ পাওয়া গেলে আমরা বিচার চাই। শিক্ষার্থীদের সাথে এমন ঘটনা মেনে নেয়ার মতন না।’
মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াদিয়া শাবাব জানান, এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক বোরহান উদ্দিনকে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদনের পর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নেয়া হবে ব্যবস্থা। এছাড়া অভিযুক্ত দুইজনকে সাময়িক বরখাস্ত করার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, দুই বছর আগে খন্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে বিদ্যালয়ে যোগদান করে সোহেল মোড়ল। আর অফিস সহায়ক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত নূর-ই আলম লিটন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category