মাদারীপুরের রাজৈরে পরকীয়া প্রেমিককে শ^শুর বাড়িতে ডেকে এনে (পোষাকাদি ইস্তারি করার যন্ত্র) আয়রন দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করে প্রবাসির স্ত্রী প্রেমিকা লিজা বেগম । ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার রাতে উপজেলার ফুলতলা কাশিমপুর নয়াকান্দা এলাকায় । নিহত প্রেমিক মারুফ মাতুব্বর (২৬) ফরিদপুর জেলার ভাংগা উপজেলার চৌকিঘাটা গ্রামের হায়দার মাতুব্বরের ছেলে । পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের মাদারীপুর মর্গে প্রেরন এবং প্রেমিকা লিজাকে গ্রেফতার করে ।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানাযায়, ফরিদপুর জেলার ভাংগা উপজেলার চৌকিঘাটা গ্রামের হায়দার মাতুব্বরের ছেলে মারুফের সাথে পাশর্^বর্তী মক্রমপুটি গ্রামের বাকি মিয়ার মেয়ে লিজার সাথে ৬বছর যাবত প্রেমের সম্পর্ক চলছিল । এর মধ্যে ৪ বছর পূর্বে রাজৈর উপজেলার ফুলতলা কাশিমপুর নয়াকান্দা গ্রামের মৃত কুটি মিয়া মাতুব্বরের ছেলে কুয়েত প্রবাসি কামরুল মাতুব্বরের সাথে লিজার বিয়ে হয় । বিয়ের কিছু দিন পর স্বামী কামরুল মাতুব্বর কুয়েত চলে যায় । এর মধ্যে প্রেমিক মারুফ মাতুব্বরও ইতালি যাওয়ার উদ্দেশে লিবিয়া থেকে গত এক মাস পূর্বে দেশে ফেরত আসে । এর পর থেকে প্রেমিক মারুফ তার পরকীয়া প্রেমিকের সাথে পুনরায় প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে । এর জের ধরে বুধবার রাতে প্রেমিক মারুফকে পরকীয়া প্রেমিকা লিজা তার স্বামীর বাড়িতে ডেকে নিয়ে আসে এবং আসার পর দুইজনের মধ্যে কথাকাটাকাটির এক পর্যায় প্রেমিকা লিজা প্রেমিক মারুফের মাথায় আয়রন দিয়ে আঘাত করলে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে মারুফ । পরে মরদেহ গোপন করার জন্য অনেক চেষ্টা করে । কিন্তু বিধিবাম কোন উপায়ন্ত খুজে না পেয়ে মরদেহের গলায় কারেন্টের তার পেঁচিয়ে খাটের নিচে লুকিয়ে রাখে মরদেহ । পরে পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার ও প্রেমিকা লিজাকে গ্রেফতার করে ।
নিহত মারুফের পিতা হায়দার মাতুব্বর জানান, আমার ছেলে ডেকে নিয়ে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে । আমি এই হত্যার বিচার চাই ।
রাজৈর থানার ওসি আমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, মরদেহের বিভিন্ন স্থানে আঘাতে চিহ্ন রয়েছে । রিপোট লেখা পর্যন্ত মামলার প্রস্তুতি চলছে ।
Leave a Reply