বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাদারীপুরে পড়া না পারলেই শিক্ষার্থীদের মারধর, প্রতিবাদে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিভাবকদের মানববন্ধন মুকসুদপুরে ইতালি পাঠানোর নামে ২১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, প্রাণে বেঁচে দেশে ফিরেও মিলছে না টাকা মাদারীপুরে সাড়ে ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে নবনির্মিত ডায়াবেটিস হাসপাতাল উদ্বোধন মাদারীপুরে সাতদিনের বৃক্ষ মেলা শুরু, ঠাই পেয়েছে ফলজ, বনজ ও ওষুধ গাছ মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস না পাওয়ায় দপ্তরিদের শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও রাজৈরে পরকীয়া প্রেমিককে শ্বশুর বাড়িতে ডেকে নিয়ে হত্যা । প্রেমিকা গ্রেফতার মুকসুদপুরে রিয়ান মোল্লার হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন  রাজৈরে মানবপাচারচক্রের সক্রিয় সদস্য ১৫ মামলার আসামি জুলহাস গ্রেফতার রাজৈরে গৃহবধু লামিয়া আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় শ্বশুর ও দুই ননদ গ্রেফতার মুকসুদপুরে পরিত্যক্ত পুকুর থেকে কিশোরের মরদেহ উদ্ধার

মাদারীপুরে পড়া না পারলেই শিক্ষার্থীদের মারধর, প্রতিবাদে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিভাবকদের মানববন্ধন

টেকেরহাট নিউজ ডেস্ক
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬
  • ২৬ Time View

মাদারীপুরে স্কুলে পড়া না পারা ও দুষ্টুমি করায় শিক্ষার্থীদের ওপর শারিরিক নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা ওই প্রধান শিক্ষকের বিচার ও তার প্রত্যাহার দাবি করে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন। মঙ্গলবার দুপুরে সদর উপজেলার ৬৩ নম্বর মিঠাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধনে অন্তত ১০ জন অভিভাবক বলেন, মিজানুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে ওই বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদে কর্মরত রয়েছেন। তিনি বিদ্যালয়ে অধ্যায়নত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসদাচরণ, দুর্ব্যবহার, পড়া না পারা বা দুষ্টুমি করলে মারধরসহ কর্মক্ষেত্রের নিয়মনীতি ও শিষ্টাচার বহির্ভূত কর্মকা- করে যাচ্ছিলেন। বিষয়টি নিয়ে প্রধান শিক্ষকের কাছে একাধিকবার অভিভাবকরা অভিযোগ জানালেও তিনি কোন কিছু কর্ণপাত করতেন না। একজন প্রধান শিক্ষকের এ ধরণের আচারণের ফলে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে আসতে ভয় পায় বলেও অভিযোগ করেন অভিভাবকরা। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তারা অবিলম্বে প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমানের প্রত্যাহারের দাবি করেছেন। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রধান শিক্ষক।
মানববন্ধনে সিনথিয়া নামে এক শিক্ষার্থী বলে, ‘অসুস্থ থাকায় আমি দুদিন স্কুলে আসতে পারি নাই। তাই স্কুলে পড়া পরি নাই। মিজান স্যার কোন কথা না শুনে আমাকে প্রথমে থাপ্পড় দিছে, পরে মাথা ধইরা ব্রেঞ্চের সাথে ঘাই দিছে। পরে আমার ঠোঁট কেটে গেলে আমি বাড়িতে চলে আসি।’
তাবাচ্ছুম নামে আরেক শিক্ষার্থী বলে, ‘হেড স্যার পড়া না পারলে আমাগো সবাইরে প্রচুর মারে।’
মিজান চৌকিদার নামে এক অভিভাবক বলেন, ‘বাচ্চারা একটু দুষ্টুমি করবে। কিন্তু মিজান সাহেবের ক্লাসে কেউ পড়া না পারলে বা দুষ্টুমি করলে তাকে ব্যাপক মারধর করে। আমার ভাতিজি তাবাচ্ছুমকে মিজান সাহেব মারধর করেছে। তার প্রতিবাদ জানাতে স্কুলে আসলে তিনি আমাদের সঙ্গেও খারাপ ব্যবহার করেছেন।’
মিঠাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সত্য নয়। যারা স্কুলের সামনে বিক্ষোভ-মানববন্ধন করেছে, তারা সবাই ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবক নয়। দুই একজন হতে পারে। শিক্ষার্থীরা যে অভিযোগ করেছে, তারা ভুল বুঝে করেছে। এখানে আমার ব্যক্তিগত কোন আক্রমণ নয়।’
মাদারীপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মুহাম্মদ ফজলে এলাহী বলেন, ‘প্রধান শিক্ষকের বিষয়ে অভিভাবকরা অভিযোগ জানালে অবশ্যই বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তা ছাড়া পড়া না পারলে শিক্ষার্থীদের শরিরিকভাবে আঘাত বা শাসন করার কোন সুযোগ নেই। যদি কোন শিক্ষক এটা করে থাকে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category