সংবাদ সম্মেলনে সরো কারিককের পক্ষে মো. সেলিম বলেন, ১৯৬০ সালে ৪৪৭০ নম্বর দলিলমূলে আমরা একটা জমি ক্রয় করি। কিন্তু ভুলক্রমে দাতার নামেই বিআরএস হয়ে যায়। পরে সেই রেকর্ড দেখে কোন এক ওয়ারিশের কাছ থেকে জমির কিছু অংশ ক্রয় করে। এখন সে (বেল্লাল হাওলাদার) আমাদের হয়রানি করতেছে। আর্মির কাছে অভিযোগ করলে আমরা উপস্থিত হই কিন্তু সে যায় নাই। আমরা আদালতে সত্য ঘোষণার মামলা করেছি, সেখানেও একটা তারিখেও হাজির হয় নাই। এরপর সংবাদ সম্মেলন করে আমাদের নামে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়েছে। বেল্লাল হাওলাদার বলেছে, খতিয়ান ছাড়া দলিল হইলো কিভাবে? সেটাতো আমরাও বুঝি। আমাদের দলিলে দুইটা খতিয়ান আছে। কিন্তু আমাদের এখন হেয়প্রতিপন্ন করতেছে। আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষ বিচার দাবি করছি।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকেলে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার খালিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম স্বরমঙ্গল গ্রামে বিরোধপূর্ণ জমির পাশে দাঁড়িয়ে প্রতিপক্ষ সরো কারিকরের বিরুদ্ধে জাল দলিল দিয়ে জমি দখলে বাধা ও ভুয়া কাগজ দিয়ে মামলা করার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী বেল্লাল হাওলাদার (৪৩)।
এসময় তিনি বলেন, চলতি বছরের ২৪ এপ্রিল স্বরমঙ্গল মৌজায় বাড়ির পাশে থাকা মোট ৪ টি দাগ থেকে ১২ শতাংশ জমি ক্রয় করি। পরে নামজারি করে সরকারি খাজনা পরিশোধ করে ওই জমিতে চাষাবাদ করে আসছিলাম। কিন্তু হঠাৎ এক ভূমিদস্যু সরো কারিকর জাল দলিল এবং পাশের দাগের জমির দলিল ছিনতাই করে মোট ৪৮ শতাংশ জমি উল্লেখ আমার বিরুদ্ধে একটা মামলা দেয়। এরপর অক্টোবর মাসের ৯ তারিখে আমার পক্ষে রায় আসে। তার দলিলের কোন সত্যতা নাই। পরবর্তীতে আবারও অপর একটি দাগের দলিল দিয়ে ৪৫ শতাংশ জমি উল্লেখ করে মামলা দেয়। আমার জমিতে ইট, বালু, রড ছিল। সেগুলো চুরি হয়ে গেছে। এই মামলার পাল্লায় পড়ে আমার এক হাত ভেঙে গেছে। এখনো গুরুতর অবস্থায় জীবন-যাপন করছি। এই মামলায় পড়ে আমার ৩০ লক্ষ টাকার ক্ষতি হইছে। সরোর বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে, টেকেরহাটে লস্করদের জমি ডিসিআর কেটে তার নামে আনে। পরে সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় সেই জমি উদ্ধার করা হয়।
Leave a Reply