
ক্ষতিগ্রস্ত কাপড় ব্যবসায়ী সুভাষ হালদার জানান, আমার একমাত্র আয়ের উৎস এই কাপড়ের দোকান।এই দোকানের আয় দিয়ে আমাদের পুরো সংসার চলে। তা পুরে ছাই হয়ে গেল। দোকানের ক্যাশে থাকা নগদ ৮৫ হাজার টাকা, একটি সোনার চেইন, একটি আ়ংটি, এক জোড়া কানের দুল, ৩ লাখ টাকার সিট কাপড়, থ্রিপিচ, শাড়ী কাপড়সহ মোট ৬ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমরা অসহায়। আমাদের বেঁচে থাকার উপায় নেই। সরকারের কাছে আর্থিক সাহায্য চাই।
আরেক কাপড় ব্যবসায়ী সমর হালদারের মা রিতা হালদার জানান, আমার দোকানে ছিল ৩ টি সেলাই মেশিন, শাড়ি, সিট কাপড়, থ্রিপিচ। প্রায় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে। আমরা এখন কি ভাবে বাঁচব। আমার সব শেষ হয়ে গেল। আমরা সরকারের কাছে আর্থিক সাহায্য চাই।
মুদি দোকানদার মনি মোহনের ছেলে মঙ্গল মোড়ল জানান, মুদি দোকান থেকে আয়ের টাকায় আমাদের সংসার খরচ চলে। ৩-৪ লাখ টাকার চাল, ডাল, তেলসহ বিভিন্ন মুদি পন্য ছিল। সব পুরে ছাই হয়ে গেছে। কিছুই বাকি নাই। আমরা সরকারের কাছে আর্থিক সাহায্য চাই। যাতে করে পুনরায় দোকান দিয়ে বাঁচতে পারি।
মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. রোকন উজ্জামান বলেন, তিনটি দোকান আগুনে পুড়ে যাওয়ার তথ্য আমরা পেয়েছি। ইতোমধ্যে জেলায় পাঠানো হয়েছে। পরবর্তীতে সরকারিভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতা করা হবে।
Leave a Reply